শিশুর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বিষয় ছোট বয়স থেকেই কিছু বিষয় শেখান



[caption id="" align="aligncenter" width="650"]শিশুর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা শিশুর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা[/caption]



পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন অঙ্গ বা জিনিস যেমন দেখতে ভালো লাগে, তেমনি এটি জীবাণু থেকেও আমাদের সুরক্ষিত রাখে। শিশুর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কিছু বিষয় শিশুকে শেখানো প্রয়োজন।

শিশুর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা


১. দাঁতের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা

দাঁত ও মুখ গহ্বরের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা সব শিশুকেই শেখানো প্রয়োজন। এমনকি শিশুর নতুন দাঁত ওঠার পর থেকে এ বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিত। দাঁত পরিষ্কার রাখলে মুখের দুর্গন্ধ, দাঁতের ক্ষয় ইত্যাদি সমস্যা থেকে শিশু সুরক্ষিত থাকবে। দিনে অন্তত দুই বার দুই মিনিট করে দাঁত ব্রাশের অভ্যাস তাকে শিখাতে হবে।

২. নখের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা

নখের ময়লা থেকে অনেক রোগের উৎপত্তি হতে পারে। তাই প্রত্যেক শিশুকে নখ কাটা এবং নখ পরিষ্কারের বিষয়টি শেখানো উচিত। সপ্তাহে অন্তত একবার নখ কাটতে হবে।

৩. গোসল

অনেক শিশু গোসল করতে খুব পছন্দ করে। আবার অনেকে গোসল করাতে গেলে খুব বিরক্তিবোধ করে। তবে শিশুদের মধ্যে নিয়মিত গোসলের অভ্যাস গড়ে তোলা ভালো।

৪. হাত ধোয়া

মা-বাবাদের শিশুদের হাত ধোয়ানোর বিষয়টি ভালোভাবে শেখানো প্রয়োজন। এই অভ্যাস জীবাণুকে দূরে রাখবে এবং অনেক অসুখ থেকে শিশুকে সুরক্ষা দেবে।

৫. পা ধোয়া

দিনে অন্তত দুই বার পা ধোয়ানোর অভ্যাস শিশুর ভেতর গড়ে তুলুন। সাবান দিয়ে পা ধোয়ানোর অভ্যাস করুন। পাশাপাশি জুতা পরিষ্কার রাখতে শেখান।

৬. টয়লেট পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা

মলত্যাগ বা প্রস্রাবের পর কীভাবে টয়লেট পরিষ্কার করবে এই বিষয়টিও শিশুকে শেখানো প্রয়োজন এবং এরপর সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাসও শেখাতে হবে শিশুকে।

৭. ঘর পরিষ্কার

শিশুর নিজের কিছু কিছু জিনিস যেমন বই, খেলনা বিছানা ইত্যাদি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নর বিষয়টিও শেখান। এসব অভ্যাস শিশুকে রোগ থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করবে।

ছোট শিশু কখন থেকে মাংস খাবে?


ছোট বাচ্চারা কয় মাস বয়স থেকে মাংস খেতে পারবে, এ নিয়ে মা-বাবার মনে অনেক প্রশ্ন।

অনেকেই তিন-চার মাসেই বাচ্চাকে মাংস খাওয়াতে চান। কিন্তু এ থেকে বাচ্চার পেটের রোগ কিংবা গলায় মাংস আটকে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

ছয় মাস বয়স পর্যন্ত বাচ্চাকে বুকের দুধ ছাড়া অন্য কিছু দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

অনেকে আবার মুরগির মাংসকে নিরাপদ মনে করেন। সেটাও ছয় মাসের আগে খাওয়ানো যাবে না।

মুরগির মাংসে অ্যালার্জির ভয় না থাকলেও গরুর মাংস নিয়ে ভয় আছে অনেকের মধ্যেই।

তাই অনেক মাস পর্যন্ত গরুর মাংস বাচ্চাকে দেন না অনেকেই।

গরুর মাংস শুরু করতে কয়েক সপ্তাহ লেগে যেতে পারে।

দুই-তিন দিন পরপর একটি একটি করে খাবার শুরু করার সুবিধা হলো, এতে করে কোনো খাবারে প্রতিক্রিয়া হলে দ্রুত সেটি বন্ধ করা যায়।

গরুর মাংসের ক্ষেত্রেও সেটি প্রযোজ্য। কিন্তু আগে থেকেই অ্যালার্জির ভয়ে গরুর মাংসের মতো একটি পুষ্টিকর খাবার থেকে বাচ্চাকে বঞ্চিত করবেন না।

কারণ, প্রতি ১০০ গ্রাম গরুর মাংসে শক্তি আছে ১১৮ কিলোক্যালরি আর প্রোটিন বা আমিষ ২২ গ্রাম।

ডাল বা উদ্ভিদের আমিষে প্রয়োজনীয় সব অ্যামাইনো এসিড থাকে না, তাই আমিষের ভালো উৎস হলো প্রাণিজ চর্বি।

সে ক্ষেত্রেও ছোট শিশুর জন্য গরুর মাংস প্রয়োজনীয়।

তাই আপনার বাচ্চার বয়স ছয় মাস পূর্ণ হলে নিশ্চিন্তে খাওয়াতে পারেন গরুর মাংস। খাসির মাংসের ক্ষেত্রেও তাই।

আর মুরগির মাংসের ক্ষেত্রে বলব, বাচ্চাকে যে দেশি মুরগি খাওয়াতেই হবে এমন নয়। ফার্মের মুরগি খাওয়ালেও ক্ষতি নেই।


শিশুদের খাবার নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা এবং শিশুদের খাবার ও স্বাস্থ্য কথা

Share on Google Plus

About WARAJ

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment