রংপুর সদর উপজেলা খাদ্য গুদাম থেকে ১০৫ মেট্রিক টন চাউল কালোবাজারে বিক্রি এবং তিনশ মেট্রিক টন নিম্নমানের চাল ক্রয় করার অভিযোগ উঠেছে গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান ও বিভাগীয় খাদ্য কর্মকতা আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে।
এ কারণে বৃহস্পতিবার গুদামের পাঁচটি গোডাউন সিলগালা করে দিয়েছে দুদক। এতে ওই গুদাম থেকে সব ধরনের ধান-চাল লোড-আনলোড বন্ধ আছে।
দুদকের সহকারী পরিচালক ও তদন্তকারী দলের প্রধান আমিরুল ইসলাম জানান, গত বোরো মৌসুমে রংপুর সদর উপজেলা গাদ্য গুদামে দুদক ২ হাজার ৯২৫ মেট্রিক টন চাল ক্রয় করার কথা ছিল। কিন্তু তা না করে মিলারদের ম্যানেজ করে ২ হাজার ৫২৫ মেট্রিক টন চাল ক্রয় করে। আবার কাগজে-কলমে ২৯শ মেট্রিক টন দেখানো হয়। আত্মসাৎ করা হয় লাখ লাখ টাকা।
বিষয়টি জানাজানি হলে রাতারাতি তিনশ মেট্রিক টন নিম্নমানের চাল ক্রয় করে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বাকি একশ মেট্রিক টন চালের কোন হিসাবে গড়মিল দেখা দেয়।
বিষয়টি বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ পেলে এক অভিযোগের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে গুদামের পাঁচটি গোডাউন সিলগালা করে তদন্ত করা হচ্ছে।
- Blogger Comment
- Facebook Comment
Subscribe to:
Post Comments
(
Atom
)
0 comments:
Post a Comment